Select Page

IELTS প্রস্তুতিঃ কোচিং নয় ঘরে বসে প্রস্তুতি নিয়ে কাঙ্খিত স্কোর তুলুন

IELTS প্রস্তুতিঃ কোচিং নয় ঘরে বসে প্রস্তুতি নিয়ে কাঙ্খিত স্কোর তুলুন

অনেকেই প্রশ্ন করেন, কোচিং ছাড়াই ঘরে বসে প্রস্তুতি নিয়ে Ielts পরীক্ষায় ভালো ব্যান্ড স্কোর তোলা সম্ভব কিনা? দ্বিতীয় প্রশ্ন হল Ielts এর প্রস্তুতি শুরু করবো কিভাবে? প্রথম প্রশ্নের উত্তর হল, ইংরেজিতে যদি মোটামুটি দখল থাকে তাহলে অবশ্যই সম্ভব। এই একুশ শতকের তথ্য প্রযুক্তির যুগে ডাটা কানেকশন আর ডিভাইসে ডাটা থাকলে কোনো কোচিং এ যাওয়ার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। আর যারা একেবারে প্রথম বারের মত Ielts প্রস্তুতি শুরু করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য মোটামুটি একটি ধারণা দেয়ার চেষ্টা করবো।

প্রথমে Cambridge Ielts এর একসেট বই কিনে নিন। Cambridge এর বইয়ে Accademic এবং General এই দুটো অংশের প্রস্তুতি দেয়া থাকে। যারা বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে চান তারা Accademic এর প্রস্তুতি নিবেন, এবং যারা Work Permit নিয়ে বিদেশ যেতে চান তারা General এর প্রস্তুতি নিবেন। Ielts এর অর্থ হল, International English Language Testing System. তাই প্রস্তুতির শুরুতে মাথায় রাখতে হবে, Ielts পরীক্ষায় আপনার চারটি বিষয়ে দক্ষতা পরিমাপ করা হবে। এই চারটি বিষয় হল Reading, Writing, Listening, Speaking. তাই এখানে আপনার ইংরেজি জানার পরিধির চাইতে, আপনি কত বুদ্ধিমত্তার সাথে উত্তর খুঁজতে কিংবা দিতে পারবেন সেটাই আসল কথা। এবার আসুন আমরা চারটি বিষয় নিয়ে আলাদা আলাদা করে আলোচনা করি।

Reading
প্রস্তুতির শুরুতে অনেকেই Reading নিয়ে মহা ঝামেলায় পড়ে যান। তবে চিন্তার কিছু নেই। একটু সময় নিয়ে ধৈর্য ধরে বিষয়টি সম্পর্কে সম্মক ধারণা নিয়ে সামনে অগ্রসর হলে অবশ্যই ভালো স্কোর তোলা সম্ভব। Reading এর ক্ষেত্রে এক ঘন্টায় তিনটে প্যাসেজ থেকে ৪০ টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। প্রধানত একটি প্যাসেজ একটু সহজ থাকে, আরেকটি একটু কঠিন এবং তিন নম্বর প্যাসেজটি সবচেয়ে কঠিন হয়। Reading অনেকের কাছে সবচেয়ে কঠিন মনে হয়। Reading এর প্রস্তুতির সময় অনেকেই সরাসরি কোনো উত্তর না পেয়ে ঘাবড়ে যান। Reading এর প্রস্তুতির সময় প্রথমেই মাথায় রাখতে হবে, আপনি সরাসরি কোনো উত্তর প্যাসেজ এ খুঁজে পাবেন না। সেক্ষেত্রে উপায় কি? একটাই উপায় যে শব্দটি খুঁজছেন সেটির সম্ভাব্য Synonym এবং Antonym মাথায় নিয়ে খোঁজা। তাহলে সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে।

এখন প্রশ্ন হলো আপনি Reading কিভাবে শুরু করবেন। Reading এ ভালো করার জন্য দুটো পদ্ধতি কার্যকর। প্রথম পদ্ধতি হলো প্যাসেজ পড়ে তারপর প্রশ্ন দেখে উত্তর খোঁজা। দ্বিতীয় পদ্ধতি হলো আগে প্রশ্ন দেখে তারপর উত্তর খোঁজা।
আমার কাছে দ্বিতীয় পদ্ধতি বেশি সহজ মনে হয়েছে। দ্বিতীয় পদ্ধতির ক্ষেত্রে প্রথমে Skim Through করে প্যাসেজটাতে চোখ বুলিয়ে নিয়ে তারপর সরাসরি প্রশ্নে গিয়ে প্রশ্নের কি ওয়ার্ড খুঁজে বের করে মার্ক করে নিন। এবার প্যাসেজ এ গিয়ে ঐ কি ওয়ার্ড এর Synonym/Antonym খুঁজে বের করুন। এটি পেয়ে গেলেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া সহজ হবে। গ্যাপ পূরণের সময় প্রশ্নে যে গ্যাপ দেয়া থাকে সেই গ্যাপের দুই পাশের শব্দের Synonym/Antonym মাথায় রাখতে হবে। তাহলে ক্লু খুঁজে পেতে সুবিধা হবে। Reading এ একটা সুবিধা হলো একটা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেলে ধারাবাহিকভাবে তিন চারটে প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে প্রথম প্রশ্নের ক্লু খুঁজে না পেলে দ্বিতীয়-তৃতীয় প্রশ্নের ক্লু খুঁজতে হবে। যদি তৃতীয় প্রশ্নের ক্লু খুঁজে পাওয়া যায় তাহলে প্রথম ও দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর ঐ তৃতীয় প্রশ্নের ওপরের অংশের দিকে থাকে।

True/False/ Not Given এর ক্ষেত্রে দেখতে হবে সরাসরি প্রশ্নের সাথে text এর উত্তর মিলছে কিনা। যদি সরাসরি মিলে যায় তাহলে True হবে, আর প্রশ্নের বিপরীত স্টেটমেন্ট থাকে তাহলে False হবে। যদি প্রশ্ন সম্পর্কিত কোন স্টেটমেন্ট দেয়া না থাকে তাহলে Not Given হবে। উত্তর খোঁজার সময় Synonym/ Antonym খুব সতর্কতার সাথে মাথায় রাখতে হবে।

Reading এ আমার কাছে সবচেয়ে কঠিন মনে হয়েছে Yes/No/Not Given অংশটি। এক্ষেত্রে সরাসরি কিছু পাবেন না। সেক্ষেত্রে key word মাথায় রেখে ঐ Key Word এর Synonym/ Antonym খুঁজতে হবে। সেটি পেয়ে গেলে ঐ Key Word এর সামনের এবং পেছনের দুই-তিন লাইন খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ে Inner Meaning ভালো করে বুঝতে হবে। Inner Meaning বুঝে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনার সম্ভাব্য উত্তর কোনটি হবে। Matching Heading এর ক্ষেত্রে নিজের সেন্সকে কাজে লাগাতে পারলে ভালো করা যাবে।

Cambridge এর বই থেকে Reading শুরু করার সময় 7 নম্বর বই থেকে শুরু করবেন। কারণ প্রথম 6টির কন্টেন্ট অনেক পুরোনো এবং ভাষাও অনেক দুর্বোধ্য। সেক্ষত্রে শেষের গুলো অনেক প্রাঞ্জল ভাষায় লেখা এবং কন্টেন্ট গুলো কিছুটা সমসাময়িক। Reading এর শুরুতে সকলেই যে সমস্যাটিতে পড়েন সেটি হল, Time Management. অর্থাৎ অর্ধেক উত্তর খুঁজতে খুঁজতেই এক ঘণ্টা সময় পেরিয়ে যায়। এটি নিয়ে চিন্তিত হওয়ায় কিছু নেই। প্র্যাকটিস করতে করতে দেখবেন আপনি সময়ের সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন। উত্তর লেখার সময় Singular/Plural এবং Spelling এর দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন। নইলে উত্তর ভুল হয়ে যাবে।

Listening
Listening এর ক্ষেত্রে বইয়ের সাথে সিডি থাকে কিন্তু পাইরেটেড কপি হওয়াতে সিডির সাউন্ড কোয়ালিটি অনেক খারাপ। সেক্ষেত্রে ভালো উপায় হলো YouTube থেকে ডাউনলোড দেয়া। YouTube এ Cambridge Listening 7.1, 7.2 এভাবে লিখে সার্চ দিলে সবগুলো পেয়ে যাবেন এবং এগুলোর সাউন্ড কোয়ালিটি খুবই ভালো।

Listening এ ভালো করার জন্য ইংরেজি শোনার অভ্যেস করতে হবে। প্রতিদিন কিছুটা সময় বিবিসির নিউজ শুনতে পারেন। তাহলে ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে উঠবেন। অনেকে আবার মুভি দ্যাখেন এটিও ভালো দিক। সেক্ষেত্রে ব্রিটিশ একসেন্ট নির্ভর মুভিগুলো বেছে নিতে হবে। কারণ Ielts Listening প্রধানত বৃটিশ একসেন্ট ফলো করে। অনেক সময় কিছু Conversation এ অস্ট্রেলিয়ান একসেন্ট এর ব্যবহারও দেখা যায়।

Listening এ ৩০ মিনিটের একটি রেকর্ডিং থাকে। প্রথমে ওরা ইন্সট্রাকসন দিবে। আপনি যখন প্র্যাকটিস করবেন, এই ইন্সট্রাকসনটিও শোনার অভ্যেস গড়ে তুলুন। পরীক্ষার দিন খুব মনোযোগ দিয়ে ওদের ইন্সট্রাকসন শুনবেন। বলা হয়ে থাকে আপনি যদি হাজার বারও Ielts পরীক্ষায় বসে থাকেন, প্রত্যেক বার ওদের ইন্সট্রাকসন শুনবেন।

Listening এ বড় সমস্যা হলো প্রশ্ন ধরতে পারা। এক্ষেত্রে প্রশ্নের মাঝে যে গ্যাপ থাকে ঐ গ্যাপের আগের এবং পরের কি ওয়ার্ড এর নিচে পেন্সিল দিয়ে দাগ দিয়ে ওটার Synonym/Antonym মাথায় রাখলে সহজে উত্তর পিক করা সম্ভব। Listening এ সবচেয়ে বড় সমস্যা Multiple Choice এ ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব প্রশ্ন পড়ে, উত্তরের চারটি অপশন পড়ে কি ওয়ার্ড মাথায় রাখতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে ইনার মিনিং কিংবা দুই একটি ওয়ার্ড এর মিনিং বুঝতে পারলে উত্তর ধরা যায়।

Listening এ একসাথে তিনটে কাজ করতে হয়। প্রথমে প্রশ্ন মাথায় রাখা, দ্বিতীয়ত রেকর্ডিং এ কি কনভারসেশন হচ্ছে সেটি ভালো করে শোনা এবং উত্তর পেলে সাথে সাথে লিখে ফেলা। তাই এই সময় শতভাগ মনোযোগ থাকা জরুরী। তবে কোন প্রশ্নের উত্তর খুঁজে না পেলে ওটা নিয়ে মাথা ঘামানো যাবে না। সাথে সাথে পরের প্রশ্নে যেতে হবে, নইলে একসাথে কয়েকটা প্রশ্ন মিসিং হয়ে যাবে।

উত্তরপত্রে উত্তর তোলার সময় Spelling এর দিকে নজর দিতে হবে। বানান ভুল গেলে নম্বর দিবে না। সাথে আপনি যে উত্তরটি লিখবেন তার আগে পিছে কোনো Preposition কিংবা Article আছে কিনা সেটিও মাথায় রাখবেন, নইলে উত্তরটি ভুল হয়ে যাবে। উত্তর লেখার সময় অবশ্যই পেন্সিল ব্যবহার করবেন। পেন্সিল ব্যবহারের সুবিধা হল, ভুল হলে ইরেজার দিয়ে মুছে আবার লেখা যায়, কিন্তু কলম দিয়ে লিখলে সেই সুযোগটি আর থাকে না। এইজন্য বাসায় পেন্সিল দিয়ে লেখা প্র্যাকটিস করবেন, তাহলে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন।

Writing
Writing এ দুটো অংশ থাকে, Task 1 এবং Task 2. Task 1 এ ১৫০ শব্দ লিখতে হয়। Task 1 এ একটি গ্রাফ/পাই চার্ট কিংবা টেবিল দিয়ে ঐ ডাটা গুলকে এক্সপ্লেইন করতে বলে। Task 2 এ একটি স্টেটমেন্ট দিয়ে সেটির পক্ষে কিংবা বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে সেটিকে বিশদ ভাবে তুলে ধরতে বলে। Task 2 এ ২৫০ শব্দের পারাগ্রাফ লিখতে হয়। Task 2 এ ব্যান্ড স্কোর বেশি থাকে তাই এটিতেই বেশি গুরুত্ব দিবেন এবং এর জন্য বেশি সময় বরাদ্ধ রাখবেন। দুটো বিষয় লেখার জন্য আপনার হাতে সময় হল এক ঘণ্টা। ১৫০/২৫০ শব্দের কম লিখলে নম্বর কাটা যাবে, আবার খুব বেশি শব্দ লিখলেও নম্বর কাটা যাবে। আপনি বড় জোর ১০ শতাংশ বেশি শব্দ লিখতে পারবেন।

Writing এর ক্ষেত্রে Ielts এর একটা নিজস্ব প্যাটার্ন আছে সেভাবে না লিখলে ভালো ব্যান্ড স্কোর তোলা সম্ভব না। Writing এ পুরো একাডেমিক স্টাইল ফলো করা হয়। বিদেশি জার্নালে যে স্টাইলে Research Article লেখা হয় আপনাকে ঠিক সেভাবেই লেখার অভ্যেস করতে হবে। নইলে ভালো স্কোর আসবে না। Academic Style এ লেখার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হয় যেমন Verb এর ব্যবহার এড়িয়ে যথাসম্ভব Noun এর ব্যবহার করে Sentence Structure করা, Phrasal Verb Avoid করা এরকম আরো কিছু নিয়ম আছে।

Introduction Part Paraphrase করে লিখতে হয়। Paraphrase হল, যে প্রশ্ন দেয়া থাকবে ওই প্রশ্নটি আপনি নিজের ভাষায় লিখবেন কিন্তু অর্থ একই থাকবে। Task 2 এর ক্ষেত্রে Introduction এ Paraphrase করে মূল স্টেটমেন্ট লিখে আপনি প্যারাগ্রাফে কি লিখতে চাইছেন সে সম্পর্কে একটা ধারণা দিয়ে দিবেন, যেন পরীক্ষক বুঝতে পারেন আপনার পারাগ্রাফ এর Structure কেমন হবে। পারাগ্রাফের Body তে Logical Explanation থাকতে হবে এবং শেষ অংশে নিজের মতামত দিতে হবে। writing এ দুটো অংশ। Task 1 তুলনামূলক সহজ কিন্তু Task 2 অনেকটাই কঠিন। বাসায় অবশ্যই প্যাটার্ন ধরে প্র্যাকটিস করতে হবে নইলে এক্সাম হলে সময় ম্যানেজ করা মুশকিল হয়ে পড়ে। আপনার গ্রামার ঠিক আছে কিনা সেটি চেক করার জন্য ইন্টারনেট এ বিভিন্ন সাইট আছে। ওখানে আপনার লেখা ইনপুট দিলে ওরা ভুলগুলো ধরিয়ে দিবে।

Speaking
Speaking এ আপনার চারটি বিষয় যাচাই করা যায়। Fluency, Grammar, Logical Explanation Ability, Vocabulary Strength। এই চারটির সমন্বয় হলেই ভালো Band Score আসবে।
Speaking এ দুটো অংশ থাকে। প্রথম অংশে নিজের সম্পর্কে বেসিক কিছু প্রশ্ন থাকে। এই অংশে প্রশ্নের উত্তরগুলো একবারে to the point এ না বলে একটু বিস্তারিত বলা ভালো। যেমন যদি প্রশ্ন করে What are you doing now? সেক্ষত্রে আপনি এক কথায় উত্তর দিতে পারেন I am a teacher. এটা সঠিক উত্তর হলেও অনেক কিছুই অজানা থেকে যাচ্ছে । যেমন আপনি কোন প্রতিষ্ঠানের teacher, কোন সাবজেক্ট, কতদিন ধরে পড়াচ্ছেন, কাদের পড়ান এগুলো এসে যায়। তাই সবগুলো যদি একসাথে গুছিয়ে বলেন, চমৎকার একটি উত্তর হয়ে যাবে। speaking এর প্রথম অংশে ৫-৬ মিনিট সময় বরাদ্ধ থাকে।

Speaking এর দ্বিতীয় অংশ বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং এখানে কঠিন অংশ হলো কিউ কার্ড বা Question Card। এক মিনিট প্রস্তুতির সময়, আর দুই মিনিট একটানা বলতে হয় নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর। এখানে Introduction, Body এবং Conclusion থাকতে হয়। পরীক্ষক তার ঘড়ি দেখে সময় নির্ধারণ করে দেন। এক মিনিট প্রস্তুতি সময় শেষ হলে, উনি আপনাকে দুই মিনিট বলতে বলবেন। পরীক্ষক Stop Watch ব্যবহার করেন, এবং দুই মিনিট শেষ হলে আপনাকে থামতে বলবেন। পরীক্ষক যতক্ষণ থামতে না বলবেন, আপনি ততক্ষণ বলতে থাকবেন। দুই মিনিট বলা শেষ হলে, এরপর আরো চার-পাঁচ মিনিট ঐ বিষয় সংক্রান্ত কিছু প্রশ্ন করবেন। কথা বলার সময় একটা সুন্দর Rythm ধরে রাখবেন। কখনো উচ্চ স্বরে আবার কখনো নিচু স্বরে কথা বলা যাবে না। কথা বলার সময় উম, অ্যাঁ এরকম করা যাবে না। তাহলে ব্যান্ড স্কোর কমে যাবে।

আমি ফ্লুয়েন্সির জন্য 4-3-2 পদ্ধতি ফলো করতাম। কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে প্রথমে চার মিনিট বলতাম এবং ভিডিও রেকর্ড করতাম। পরে ওই রেকর্ড শুনে আবার একই বিষয়ে তিন মিনিট বলতাম, আবার ওই তিন মিনিটের রেকর্ডিং শুনে দুই মিনিট বলতাম। এভাবে প্র্যাকটিস করতে পারলে কিউ কার্ড অংশে খুব সুন্দর করে গুছিয়ে বলার অভ্যেস হয়ে যায়। যাদের ইংরেজি বলার পার্টনার নেই তারা ফেসবুক এ বিভিন্ন গ্রুপ পাবেন, ওখানে গিয়ে প্র্যাকটিস করতে পারেন। আর একান্তই পার্টনার না পেলে আরো ভালো একটি উপায় আছে। সেটি হলো আপনি যখন রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন তখন যা দেখছেন, তাই ইংরেজিতে বলতে থাকুন। দেখবেন ধীরে ধীরে ভালো ইংরেজি বলার অভ্যেস হয়ে গেছে।

এভাবে আমি বাসায় বসে নিজে নিজে প্র্যাকটিস করে প্রথমবার পরীক্ষা দিয়েই 6.5 তুলেছিলাম। YouTube থেকে মূলত হেল্প নিতাম। YouTube এ ielts.lizz নামের সাইট থেকেই আমি মূলত বেশি হেল্প নিয়েছিলাম। সবশেষে বলবো প্রস্তুতি শুরুর আগে YouTube এর ভালো চ্যানেল থেকে ভিডিও গুলো দেখে নিন। এরপর একবারে ভালো ধারনা নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করলে কোথাও কোচিং করা লাগবে না। ঘরে বসেই নিজে নিজে প্রস্তুতি নিয়ে কাঙ্খিত স্কোর তোলা কোনো ব্যাপারই না। শুধু দরকার একটু লেগে থাকা।

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনুসরণ করুন

Covid 19

20 Jan 2021, 2:55 AM (GMT)

Bangladesh Stats

529,031 Total Cases
7,942 Death Cases
473,855 Recovered Cases